কলকাতা 

সুপার সাইক্লোন ‘ ফনি ‘ বাংলায় আছড়ে পড়তে চলেছে ; বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্র ; রাজ্যে কবে আসছে ফনি ? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : শক্তি বাড়িয়ে ঘুর্ণিঝড় ‘ ফনি ‘ এখন সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়ে ধেয়ে আসছে বাংলায়। এই কারণেই আগামী শুক্রবার থেকে রাজ্যে তাণ্ডবলীলা চালাবে ‘ফণী’। ঘূর্ণিঝড়ের কথা প্রকাশ্যে আসা মাত্রই, সবার একটাই প্রশ্ন বাংলাতেও কী এর প্রভাব পড়বে? আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিল, ‘ফণী’র দাপটে পশ্চিমবাংলায় ভারী বৃষ্টি হবে। হাঁসফাঁস গরম থেকে রেহাই পেতে এখন ‘ফণী’ই ভরসা বাংলার কাছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে চিন্তাতেও রয়েছে বাংলা।

আগামী ৩ তারিখ শুক্রবার থেকে শুরু হবে বৃষ্টি। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৮৫ কিমি বেগে বয়ে যাবে ঝোড়ো হাওয়া। শনিবার শক্তি বাড়িয়ে এ রাজ্যে আরও দাপট দেখাতে পারে ফণী। সেদিন প্রায় ২০ সেমি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি ১১৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

ভারতের দক্ষিণপূর্ব সংলগ্ন অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ফণী ইতিমধ্যে আছড়ে পড়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে ঝড়ের অভিমুখ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরতে শুরু করেছে। ৩ ও ৪ এপ্রিল দিঘা,গঙ্গাসাগর, মন্দারমণি, বকখালিতে ইতিমধ্যেই রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ওই এলাকায় পর্যটকদেরও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।     ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, আগেভাগে আর্থিক সহায়তার অনুমোদনও দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য মঞ্জুর করা হয়েছে ১০৮৬ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব চার রাজ্যের মুখ্য সচিবের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য আশু ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন । বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও সর্তক করা হয়েছে ।

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment