দেশ 

রাজ্যের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় তিন লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ‘ ফেল ‘ ২১জন পরীক্ষার্থী আত্মঘাতী ! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা জানতে চান ? ক্লিক করুন ।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : যেকোনো ছাত্র-ছাত্রীর কাছে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ না করলে উচ্চশিক্ষার কোনো সুযোগই পাবে না। আমাদের পরীক্ষা ব্যবস্থায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির গুরুত্ব খুব বেশি । কিন্ত সেই দ্বাদশ শ্রেণির ফলৈ দেখা যাচ্ছে ৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ফেল করেছে । অবাক হচ্ছে নাকি ? না অবাক হওয়ার কোনো কারণ নেই আমাদের দেশের তেলেঙ্গানা প্রদেশে প্রকাশিত হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির ফল। আর সেই ফলে ৩ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছে ।

সংবাদ সংস্থা খবর অনুযায়ী তেলেঙ্গানা প্রদেশের দ্বাদশ শ্রেণির ফল  বেরিয়েছে গত ১৮ এপ্রিল। তার ১০ দিনের মধ্যে আত্মঘাতী হয়েছেন ২১ জন পরীক্ষার্থী। ওই পরীক্ষায় ‘ফেল’ করানো হয়েছে ৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। প্রতিবাদে গত সপ্তাহে বিশাল মিছিল করেছেন ছাত্রছাত্রী আর তাঁদের অভিভাবকরা।

তাঁদের অভিযোগ, তেলঙ্গানায় দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার নিয়ামক সংস্থা তেলঙ্গানা স্টেট বোর্ড অফ ইন্টারমিডিয়েট এডুকেশন (টিএসবিআইই) এবং একটি বেসরকারি সংস্থা গ্লোবঅ্যারেনা টেকনোলজিস ছাত্রছাত্রীদের নম্বর দিতে গিয়ে ব্যাপক ভুল করেছে। কারা কারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন, কোথায় কোথায় পরীক্ষা নেওয়া হবে আর কেমন প্রশ্ন হবে আর কারা কারা খাতা দেখবেন, সে ব্যাপারে দেখভালের দায়িত্বে ছিল গ্লোবঅ্যারেনা টেকনোলজিস। তাদের দায়িত্বহীনতার কারণেই পরীক্ষায় ফেল করেছে ৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রী।

এক অভিভাবক একাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় তাঁর ছেলের মার্কশিট দেখিয়ে বলেছেন, ‘‘এই দেখুন, আগের বছর আমার ছেলে এই সাবজেক্টে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিল। আর এ বার আমার ছেলে দুই অঙ্কের নম্বরও পায়নি এই সাবজেক্টে।’’

ভোটের মুখে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের আন্দোলন ও  অভিযোগের নিস্পত্তি করার জন্য তেলঙ্গানা সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানা গেছে। এবিষয়ে রাজ্যের শিক্ষা সচিব জনার্দন রেড্ডি স্বীকারও করেছেন, ‘‘কিছু ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকতে পারে। তবে সেটার বেশির ভাগের জন্যই দায়ী প্রযুক্তিগত সমস্যা। পরীক্ষকরাও হয়তো কোনও কোনও ক্ষেত্রে ভুল করেছেন। সব কিছু তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment