দেশ 

মোদী সরকারের ‘ আচ্ছে দিন ‘ বেকারত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ ; ভোটের সময় এই তথ্যে অস্বস্তিতে বিজেপি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বছরে দুকোটি বেকারের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের মন জয় করেছিলেন ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী । দেশের মানুষ তাঁর কথাকে বিশ্বাস করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাঁকে এবং তাঁর দলকে জয়ী করেছিল । কিন্ত ভোটের মোদী তাঁর কথা রাখতে পারেননি । বরং বড় বড় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করতে গিয়ে গরীব মানুষের বোঝা চাপিয়েছেন তিনি ।

এই প্রচারে যখন তিনি বিভ্রান্ত । নতুন করে আর কোনো প্রতিশ্রুতি না দিয়ে দেশে হিন্দুরাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন । ঠিক সেই সময় আবার একটি সমীক্ষা গোষ্ঠীর রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে যাতে নতুন করে বেকারত্বের ইস্যুগুলি সামনে এল । চতুর্থ দফার ভোটের আগে এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদী বেকায়দায় পড়েছে । দেশের প্রথম সারির সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ।

সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি (সিএমআইই)-র রিপোর্ট জানিয়েছে, এপ্রিলের প্রথম তিন সপ্তাহে দেশে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৭.৯%, ৮.১% এবং ৮.৪%। এর আগে তাদেরই রিপোর্ট বলেছিল, ফেব্রুয়ারিতে ওই হার ছুঁয়েছে ৭.২%। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের পরে সব থেকে বেশি। আর মার্চে ৬.৭%।

বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মসনদে এসেছিলেন মোদী। কিন্তু তাঁর পাঁচ বছরে দেশে কাজের ছবিটা যে মোটেই উজ্জ্বল নয়, তা বারবার উঠে এসেছে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে। কর্মসংস্থান নিয়েই ২০১৭-১৮ সালের জন্য এনএসএসও-র সমীক্ষা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। যেখানে বলা হয়, ২০১৭-’১৮ সালে বেকারত্ব ছিল ৬.১%। ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ। যা নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে মোদী সরকার। ঘটনা হল, চলতি লোকসভা ভোটে নিজেদের ৪২ পাতার ইস্তাহারে কর্মসংস্থান নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য করেনি বিজেপি। দেয়নি নতুন কোনও প্রতিশ্রুতিও।

তবে মোদী সরকারকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে সিএমআইই-র রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে, বেকারত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই এপ্রিলের প্রথম তিন সপ্তাহে কর্মসংস্থানও হয়েছে মার্চের চেয়ে বেশি।

যদিও তার বেশির ভাগটাই এসেছে ভোটের সঙ্গে যুক্ত নানা কাজের হাত ধরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোট মিটে গেলে ছবিটা কী দাঁড়ায়, সেটাই এখন দেখার।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment