জেলা 

“গুরুদেব এমন একটা সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে কোনো মানুষই মাথা নত করে চলবে না। আর এখন তাঁরই বাংলায় কী হচ্ছে? ” কবিগুরুকে স্মরণ করে মমতাকে তোপ মোদীর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনের প্রচারকে ঘিরে মোদী-মমতার তরজা অব্যাহত । যদিও অক্ষয় কুমারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোদী বলেছেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায়ই তার বাড়িতে নানা রকমের উপহার পাঠিয়ে থাকেন । তা সত্ত্বে আজ ইলমবাজারের সভা থেকে অমিত শাহ-র কায়দায় ফের মমতা সরকারকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিলেন স্বয়ং মোদী ।

এ দিন ইলমবাজোরের জনসভা থেকে  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৩ মে আবার একবার মোদী সরকার আসবে। বাংলার অত্যাচারী সরকারের অবসান হবে তার পরই। দিদির কাছে গুন্ডাগিরি থাকলে আমাদের কাছে রয়েছে গণতন্ত্র। বাংলাকে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি থেকে মুক্তি দেব। এখন থেকেই তাই বাংলার অত্যাচারী শাসকের পতনের কাউন্ডডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। সিংহাসন হারানোর ভয়ে দিদি ভয় পেয়েছেন। দিদি শুধু অনুপ্রবেশকারী আর দাদাগিরিকে টপ গিয়ার দিয়েছেন। এখানে অনুপ্রবেশকারীদেরও আদর করা হয়। গোটা ভারতবর্ষের বিকাশে দিদি আসলে স্পিড বেকার”।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের কথা তুলে ধরে মোদী বলেন, “গুরুদেব এমন একটা সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে কোনো মানুষই মাথা নত করে চলবে না। আর এখন তাঁরই বাংলায় কী হচ্ছে? তৃণমূলকে তোলাবাজি না দিলে কোনো কাজ হয় না। তৃণমূলের দাদাদের তোলাবাজি না দিলে কোনো কাজ হয় না। দিদি স্পিড বেকার দিয়ে বাংলার মানুষের ভবিষ্যতের স্বপ্নকে শেষ করে দিয়েছেন। দিল্লির যে কোনো ভরতুকিতেও থাবা বসাচ্ছে তোলাবাজি। এমনকী রেশনে দেওয়া কেন্দ্রের ভরতুকির উপরও তোলাবাজি চলছে”।

সাম্প্রতিক কালে ভারত – পাকিস্তানের মধ্যে যে যুদ্ধংদেহি মনোভাব তৈরি হয়েছিল সেই বিষয়টি উল্লেখ্য করে মোদী বলেন ,“দিদি এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করতে গিয়ে দেশের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনাদের চৌকিদারই জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে তাদের খতম করেছে। আপনাদের ভোটই এই চৌকিদারকে শক্তিশালী করবে“।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment