জেলা 

জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট নন , বিবেক দুবে ; মুর্শিদাবাদের প্রশাসনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন ?

শেয়ার করুন
  • 40
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : অভিযোগ ছিল বিরোধীদের  মুর্শিদাবাদে ভোট চলাকালীন সময়ে অশান্তি হতে পারে । বিরোধীদের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন । তাই এই জেলার প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছে কমিশন । ইতিমধ্যেই জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট তলক করেছিল কমিশন । জেলা প্রশাসনের পাঠানো সেই রিপোর্টে খুশি নয় কমিশন। আর তাই সংবাদ সংস্থার খবর মুর্শিদাবাদের উপর এবার বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন। জেলায় আসতে পারেন দিল্লি থেকে উপমুখ্য নির্বাচনী কমিশনার সুদীপ জৈন।

উল্লেখ্য, তৃতীয় দফায় ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলার ২ কেন্দ্র- জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদে ভোটগ্রহণ। কমিশন তত্পর নবাবের জেলায় সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট করতে।

সোমবার জেলার ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বহরমপুরে যান স্পেশাল পুলিস অবজার্ভার বিবেক দুবে। বহরমপুর সার্কিট হাউসে জেলার সবকটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে কথা বলেন তিনি। এরপর জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন বিবেক দুবে। সোমবারের পর মঙ্গলবার সকালেও দুবে জেলার ৭ নির্বাচন পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরপরই কমিশন সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলার সামগ্রিক পরস্থিতি নিয়ে কোনও পজিটিভ রিপোর্ট দিচ্ছেন না বিবেক দুবে। স্পেশাল পুলিস অবজার্ভারের কাছে বিরোধীরা জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের সময় যাতে মনোননয়ন জমা না দেওয়া হয়, তাই রাতের বেলা পুলিস বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিযান চালায়। এমনকি ধর্ষণের মতো মামলা সহ মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয় বিরোধীদের নামে।

বিরোধীদের মুখে একথা জানার পরই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিবেক দুবে। সাফ বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট বলে ধরবেন না। এটা কিন্তু কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভোট করাচ্ছে। সাবধান।” স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হুমকি বরদাস্ত করা হবে না। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটে জেলায় হওয়া হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কমিশন। বিরোধীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিস প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিবেক দুবে। পাশাপাশি, যাঁদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের সময় যাঁরা আইসি এবং ওসি ছিলেন, তাঁরাই এখনও পদে রয়েছেন। সব মিলিয়ে অসন্তুষ্ট কমিশন। সূত্রে খবর, বিবেক দুবের এই রিপোর্ট-ই দিল্লিতে পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্টে বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে নবগ্রাম, খড়গ্রাম ও কান্দির নাম। মনে করা হচ্ছে, রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মুর্শিদাবাদে আসতে পারেন রাজ্যের দায়িত্বে থাকা উপমুখ্য নির্বাচনী কমিশনার সুদীপ জৈন।

মনে করা হচ্ছে , মুর্শিদাবাদ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে কমিশন । জেলার ডিএম এবং এসপিকেও সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । কারণ বিরোধীরা এসপি এবং ডিএমের বিরুদ্ধে শাসক দলের পক্ষে কাজ করার অভিযোগ এনেছে ।

 

 


শেয়ার করুন
  • 40
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment