কলকাতা 

পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কেন? কমিশনকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য সরকার কলকাতা হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে তাতে সন্তুষ্ট নয় প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, রাজের কাছে মোট ৭১,৫০০ শসস্ত্র বাহিনী রয়েছে। তার মধ্যে ৫০০ ইনসপেক্টর, ১০,০০০ সাব ইনসপেক্টর, বাকি ৬১,০০০ কনস্টেবল, হোমগার্ড ও এনভিএফ রয়েছে।  প্রতি বুথে একজন করে সশস্ত্রবাহিনী ও একজন করে লাঠিধারী পুলিশ রাখা হবে। এরপর প্রধান বিচারপতি কমিশনের কাছে জানতে চান, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে চায় কিনা? জবাবে কমিশনের আইনজীবী বলেন নির্বাচনে রাজ্য যে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে তা পর্যাপ্ত। এরপর প্রধান বিচারপতি রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিরাপত্তার বিষয় কমিশনের। এক্ষেত্রে যদি কমিশন সন্তুষ্ট হয়, তাহলে আদালত কি করতে পারে? এরপরেই নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান সিপিএমের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। আদালতে তিনি বলেন,   মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় অনেক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীরা। মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অনেক কর্মী খুন হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও বলেছেন তাঁর দলের কর্মী অনেকেই খুন হয়েছেন। এভাবে নির্বাচন হতে পারে না। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের তরফেও নিরাপত্তা নিয়ে আপত্তি জানানো হয়। তারাও কেন্দ্রীয় বাহিনী  চায়।  দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রাখে। আগামী বৃহস্পতিবার ফের মামলার শুনানি হবে। ওইদিনই রায়দান হতে পারে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৪ মে নির্বাচন হওয়া অসম্ভব বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেজ্ঞরা।  এদিকে নির্বাচন কমিশন আজকেই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন ১৪ মে নির্বাচনের দিনটি প্রস্তাবিত দিন ছিল মাত্র।

এদিকে আদালত বামেদের দাবি মেনে ই -মনোনয়নকেই স্বীকৃতি দিয়েছে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ২৩ এপ্রিল দুপুর ৩ টে পর্যন্ত যে মনোনয়ন জমা পড়েছিল, তাকে গ্রহণ করতে হবে। আাদালতের পর্যবেক্ষণ, ই- মনোনয়ন চালু হলে কমবে মৃত্যুর সংখ্যা, কমবে অভিযোগের সংখ্যাও। সেই সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বাড়লে ভোটারা পছন্দের সুযোগ বাড়বে। তাই কমিশনকে ই-মেলে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আইনজীবীরা মনে করছেন এর ফলে ১৪ মে নির্বাচন নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment