কলকাতা 

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে অমান্য করে মাদ্রাসার চাকরি প্রার্থীদর বঞ্চিত করা হলে , তাদের উচিত রাস্তায় বসে আন্দোলন না করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া : সরদার আমজাদ আলী

শেয়ার করুন
  • 306
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বুলবুল চৌধুরি : সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন ২০১৪-এর শূণ্যপদ অনুসারে নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত । মসৃণভাবে কোনো রকম অভিযোগ ছাড়াই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিয়োগ প্রক্রিয়া সর্ম্পূণ করে । কিন্ত গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের বেশ কয়েক জন চাকরি প্রার্থী মেয়ো রোড়ে অনশনে বসে যান । আর অনশনে বসাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীকালে পুলিশী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে । যা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সংখ্যালঘুদের  মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় ।

এ নিয়ে আমরা কথা বলেছিলাম বিশিষ্ট আইনজীবী সরদার আমজাদ আলীর সঙ্গে । তিনি আমাদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন , মমতা সরকারের পুলিশ অবস্থানকারী চাকরি প্রার্থীদের উপর বলপ্রয়োগ করেছে এটা যদি সত্য হয়, তাহলে তা হবে গণতন্ত্রের উপর আঘাত । যেকোন ব্যক্তি বা সংগঠন আন্দোলন কর্মসূচি নিতেই পারে তা বলে তাদের উপর পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয় ।

বর্ষীয়ান আইনজীবী সরদার আমজাদ আলী আরও বলেন , তবে আন্দোলনকারীদের মনে রাখতে হবে এসএসসি এবং মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন এক নয় । কারণ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের অস্তিত্ব নিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা চলছে । শুনানী শেষ হয়ে গেছে । যেকোনো দিন মামলার রায় বের হতে পারে ।

এই পরিপ্রেক্ষিতে যারা কলকাতায় ধর্ণায় বসছেন তাদের উচিত ছিল আবার শীর্ষ আদালতে আবেদন করা । মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন যে নিয়োগ করেছে তা শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মত । তাই কোথাও যদি কমিশন নির্দেশ অমান্য করেছে বলে মনে হয় তাহলে তাদের উচিত সরাসরি আদালতে আবেদন করা । আমার মনে হয় , অনশন কিংবা ধর্ণা দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয় । রাজ্য সরকারও আদালতের নির্দেশ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না বলেই আমার মনে হয় ।

তিনি আরও বলেন , মমতা সরকারের পক্ষে বা বিপক্ষে বলছি না । কিন্ত এটা মানতে হবে মা্দ্রাসা সার্ভিস কমিশন যে নিয়োগ করেছে তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মত । তাই সুপ্রিম কোর্ট-ই একমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে পারে বঞ্চিতরা নিয়োগ পাবে কিনা ।

 


শেয়ার করুন
  • 306
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment