কলকাতা 

পুলিশ দিয়ে এসএসসির চাকরি প্রার্থীদের অনশন ভাঙার চেষ্টা হলে গণ-আন্দোলন হবে সোস্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার নাগরিক সমাজ ; স্বচ্ছভাবে নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত চলবে অনশন ; পাশে থাকার আশ্বাস বিমানের

শেয়ার করুন
  • 1.2K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  এসএসসির চাকরি প্রার্থীদের অবিলম্বে নিয়োগের দাবিতে যে অনশন কর্মসূচি চলছে তা শনিবার ২৪ দিন অতিক্রান্ত করল। শুক্রবার অনশনকারীদের সঙ্গে অনশনে বসেছিলেন কবি মান্দাক্রান্ত সেন । কবি শঙ্খ ঘোষ আন্দোলনকারীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন । আজ শনিবার অনশন মঞ্চে এসেছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু । তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে গেলেন । একই সঙ্গে বাম আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে চলতো তা নিয়েও বিস্তারিত বক্তব্য পেশ করেন । বিমান বসুর সামনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিয়া শেঠ । তাকে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয় । তবে সাংবাদ-মাধ্যম তানিয়া বলেন , “সমস্ত দাবি না মিটলে আমরা বাড়ি ফিরব না, প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব এখানেই আমাদের ভোট দেওয়ার ব্য়বস্থা করতে।”

এদিকে আন্দোলনকারীরা আজ অভিযোগ করেছেন একই সঙ্গে সোস্যাল মিডিয়াতেও বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের আন্দোলনকে ভাঙতে পুলিশ সক্রিয় হয়েছে । এদিন অনশনরত চাকরিপ্রার্থীরা অভিযোগ করেন  সকালে পুলিস এসেছিল। ফের এসেছে মহিলা পুলিসের একটি বিরাট বাহিনী। তবে কি পুলিস দিয়েই তোলা হবে অনশন? সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই প্রচার চালানোর ফলে আন্দোলন আরও জঙ্গীরূপ পেতে পারে বলে ওয়াকিফহাল মহল আশংকা করছে ।

গতকালই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের সমস্ত অভিযোগ শুনবে পাঁচজনের তদন্ত কমিটি। এদিন অনশনকারীদের উদ্দেশে জানানো হয়, ওই কমিটির কাছে সমস্ত অভিযোগ দু’দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জমা দিতে হবে৷ কমিটি সেই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখবে৷  ১৫ দিনের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী  প্রার্থীদের অনুরোধ করছিলেন অনশন তুলে নিয়ে ফিরে যেতে।

তবে আগাম কোনো প্রতিশ্রুতি মানতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। হাতে মেধাতালিকা না পেলে এবং স্বচ্ছ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তার অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন ।

আজ শনিবার বিমান বসুও এসেছিলেন অনশন মঞ্চে। “পাশি আছি” প্রতিশ্রুতিও মিলেছে।  এমনকি ভোট দিতেও বাড়ি যাবেন না অনশনকারীরা।

 

 


শেয়ার করুন
  • 1.2K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment