কলকাতা 

মুকুল রায়ের রাজনৈতিক কৌশলেই দুটি জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন দেখছে বিজেপি

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সন্ত্রাস নিয়ে বিজেপি সহ বিরোধীরা পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই চিৎকার করে বাজার গরম করে চলেছে।পঞ্চায়েত ভোট কবে হবে তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে সবার মনে।আদালতের হাতেই ভোট কবে হবে তা অনেকখানি নির্ভর করছে। তবে পঞ্চায়েত ভোট যে একদিন হবে তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। আর এটা শাসক-বিরোধী সবাই জানে তাই তারা প্রত্যেকেই নিজেদের মতো করে ভোট প্রচার করে চলেছে।তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কংগ্রেস-বিজেপি-সিপিএম সব দলই প্রচারে নেমে পড়েছে। জাতীয় দল হিসেবে বিজেপি ও কংগ্রেসের কিছু বাধ্যবাধকতা থাকে। আবার এই সব দলের প্রদেশ নেতারা নিয়ম করে দলের হাইকমান্ডকে সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে রিপোর্ট পাঠায়। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে যে রিপোর্ট পাঠিয়েছে তাতে বলা হয়েছে,শাসক তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস ও পেশি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ৩৪ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গেলেও বাস্তবে তারা জনসমর্থন হারাচ্ছে।

৬৬শতাংশ যে আসনে ভোট হতে চলেছে তাতে বিজেপি দল অপ্রত্যাশিত ফল করবে বলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পাঠানো রিপো্র্টে উল্লেখ্য করা হয়েছে। তাতে রাজ্য নেতৃত্ব দাবি করেছেন,উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলে মোট আটটি জেলায় বিজেপি-র ভাল ফল হবে। গ্রাম-পঞ্চায়েত ,পঞ্চায়েত সমিতি স্তরে ভাল ফল করার পাশাপাশি এবার তারা নাকি দুটি জেলা পরিষদ দখল করতে চলেছে। এই দুটি জেলা পরিষদই উত্তরবঙ্গে অবস্থিত। এই সাফল্যের কারণ কী ? এর উত্তরে বিজেপির নেতাদের দাবি মুকুল রায়। তিনি এমনভাবে খুঁটি সাজিয়েছেন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুব ভাল ফল হবে। জানা গেছে উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ি,কোচবিহার,আলিপুরদুয়ার ও দক্ষিন দিনাজপুরে বিজেপি পঞ্চায়েতে ইর্ষানীয় সাফল্য পাবে।এর নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আর সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে আরও বেশি ইন্ধন দিয়ে কার্যত নিরব বিদ্রোহের সৃষ্টি করতে চলেছেন মুকুল রায়। কয়েকদিন আগেই মুকুল রায় উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে সভা করে এসেছেন,এই সময়েই তৃণমূলের জনপ্রিয় অথচ দলে ব্রাত্য এমন নেতাদের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন বলেও বিশেষ সূত্রে জানা গেছে। শুধু তাই নয়,উত্তরবঙ্গকে এতটাই বিজেপি নেতৃত্ব গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে যে মুকুল রায়ের নির্বাচনী সভার কর্মসুচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সফর শুরু হয়েছে। মুকুল রায়ের এই কৌশলী পদক্ষেপের উপর আস্থা রেখেই বিজেপি শুধু গ্রাম পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতি নয়,কয়েকটি জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন দেখছে। তবে সব প্রশ্নে সমাধান মিলবে পঞ্চায়েত ভোটের ফলে।


শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment