পঞ্চায়েত সংবাদ 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন বার্তা তুলে ধরেই প্রচারে বাজিমাৎ শিক্ষক নেতা একেএম ফারহাদের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেখ মিজানুর রহমান

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের ৩৬ নম্বর আসনটিতে প্রথমবারের জন্য জয় পেতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই লক্ষেই এলাকার দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা আলহাজ্ব একেএম ফারহাদকে টিকিট দিয়েছে দল। তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রথমবার এই আসনটি উপহার হিসেবে তুলে দিতে ফারহাদসাহেব নিজেও আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বৈশাখের তীব্র দাবদাহকে উপেক্ষা করে  নিজের আসনে দিনভর প্রচার করছেন তিনি। শুধু তিনি একাই নন, তাঁর সমর্থনে প্রচার করেছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এছাড়া আগামীকাল দেগঙ্গায় প্রচারে যাওয়ার কথা রয়েছে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ও আগামী সোমবার প্রচারে যাচ্ছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

প্রচারে গিয়ে এক বৃদ্ধার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিচ্ছেন একেএম ফারহাদ

 

শুক্রবার জুম্মার নামাযের পর থেকেই তিনি দেগঙ্গার রামনাথপুর, দেগঙ্গা এক নম্বর পঞ্চায়েতের হাসিয়া, পারুলিয়া ও মাধবপুর এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান শিক্ষক নেতা। এছাড়া রাতের বেলায় একাধিক জায়গায় পথসভাও করেন। সঙ্গে ছিলেন, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী উমা দাস ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী আবু তালেব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্যের উন্নয়নের খতিয়ান প্রত্যেকটি বাড়িতে তুলে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে কন্যাশ্রী, যুবশ্রী,রূপশ্রী, সবুজসাথী, খাদ্যসাথী সহ নানান সরকারি প্রকল্পের সাফল্যের কথাও প্রচার করছেন। ফারহাদ সাহেবের কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়ন হয়েছে, তাকে  পাথেয় করেই মানুষের কাছে যাচ্ছি। মানুষ দুহাত ভরে আশীর্বাদ করছেন।’ এদিন রামনাথপুরে প্রচারে গিয়ে প্রায় আশি বছরর এক বৃদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাত হয় ফারহাদের। তিনি কালবিলম্ব না করে ওই বৃদ্ধার সঙ্গে গিয়েে দেখা করেন। সেই সঙ্গে তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ চেয়ে নেন। ওই বৃদ্ধাও সন্তানের মতো আশীর্বাদ করেন ফারহাদকে। শিক্ষক নেতার মাথায় হাত রেখে তিনি বলেন, এতদিনে একজন কাজের মানুষকে জেলা পরিষদে প্রার্থী হিসাবে পেয়েছি।’ সেই সঙ্গে তিনি ফারহাদের জয় কামনা করেছেন।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment