কলকাতা 

উচ্চ-মাধ্যমিক স্কেলে বেতনের দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে ধর্নায় বসছে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রায় এক বছর ধরে রাজ্য জুড়ে পিআরটি স্কেলে বেতন দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে । অনুরোধ –উপরোধ সব কিছুকে রাজ্য সরকার উপেক্ষা করেছে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে । তাই তারা এবার রাজধানী বুকে বঞ্চনার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে দিল্লি যাত্রা করছে  সংগঠনের সভাপতি সন্দীপ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন আগামী ৬ই মার্চ দিল্লির যন্তর মন্তর এ উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সকাল ১০ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ করবেন করবেন এ রাজ্যের হাজারো বঞ্চিত প্রাথমিক শিক্ষক। সবরকম বন্দোবস্ত প্রায় শেষ। সংগঠনের সম্পাদিকা পৃথা বিশ্বাস জানিয়েছেন, “অনেক হয়েছে সরকারকে অনুনয় বিনয় এবার সরকার যে ভাষা শুনতে চাইছেন সে ভাষাতেই জবাব দেওয়ার সময় এসেছে।”

বাংলার শিক্ষকদের বঞ্চনার শ্লোগান এবার শোনা যাবে রাজধানী শহর দিল্লিতে । উল্লেখ্য গত বছর ১৫ই মার্চ,  উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশের পর থেকেই এই দাবিতে আন্দোলন চলছে । সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের সব প্রাথমিক শিক্ষকদের জানানো হয় প্রতি মাসে তাঁদের প্রাপ্য বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। বঞ্চনার পরিমান কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা। একাধিকবার শিক্ষামন্ত্রী, সচিব, আমলা, স্কুল পরিদর্শকের চক্কর কেটেও লাভের লাভ কিছুই না হওয়ায় এবার দিল্লি গিয়ে সরাসরি কেন্দ্র সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করতে উদ্যোগী হয়েছে এই অরাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠন।

গত ৬ই ফেব্রুয়ারি তারা কলকাতা রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করে কড়া বার্তা দিয়ে রাজ্য সরকারকে জানিয়েছিল যদি ২৫শে ফেব্রুয়ারি এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী তাদের সঙ্গে আলোচনায় না বসেন তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন।

যার প্রভাব ভোট বাক্সেও পড়বে। শিক্ষকরা যেমন মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার মাধ্যমে পরোক্ষে তৃণমূলের প্রচার করতে পারেন তেমনই পারেন বিপক্ষেও প্রচার করতে। সংগঠনের সহ সভাপতি শান্তনু মন্ডল জানান, “শুধুমাত্রই যে ভোট বাক্সে এর প্রভাব পড়বে এমনটি নয়। আমরা রাজ্যব্যাপী বিশেষ প্রচার অভিযান কর্মসূচি গ্রহণ করতেও বাধ্য হব এবং জনমানসে নেতিবাচক দিকগুলি উপস্থাপন করব।

আমরা আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান এবং সরকারি নোটিফিকেশন দাবি করছি ।  শিক্ষকদের এমন চরম প্রতিরোধ আগে দেখেনি রাজ্য, গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি সরকারকে দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তাই রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হয়ে দেশের দৃষ্টি আর্কষন করতে দিল্লি চলোও ডাক দিয়েছেন ।


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment