জেলা 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন ; মালদায় মৌসম কংগ্রেসের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না , কংগ্রেস তার পুরানো জমি ফিরে পাবে : অধীর রঞ্জন চৌধুরি

শেয়ার করুন
  • 117
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক  কংগ্রেস সাংসদ ও প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরি । তিনি বুধবার এক মামলায় হাজিরা দিতে বারাসত আদালতে এসেছিলেন । সেখানে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন । উল্লেখ্য কয়েকদিন আগে বিজেপি নেতা মুকুল রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গদ্দার বলেছিরেন । এই প্রসঙ্গে অধীরবাবু বারাসতে সাংবাদিকদের বলেন . “উনি (মুকুল রায়) তো ঠিকই বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের সাথে গদ্দারি করেছে।

বেইমানি, খুন করার চেষ্টা করেছে। কংগ্রেস ওকে বড় করল। রাজীব গান্ধির দয়ায় ও বড় হয়েছে। একসময় কংগ্রেসের টিকিটে জিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়। তারপর বিজেপি-র হাত ধরে। বিজেপিকে পছন্দ না হওয়ায় আবার কংগ্রেসের হাত ধরে।

এখন আবার ভালো বিজেপি, খারাপ বিজেপি-র কথা বলছে।” অন্যদিকে, আদালত সূত্রে জানা গেছে অধীর চৌধুরির বিরুদ্ধে মোট ৯টি পুরোনো রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে আজ দু’টি মামলা থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হয় তাঁকে। বাকি মামলাগুলির পরবর্তী শুনানি ৪ এপ্রিল।

সংসদে দাঁড়িয়ে  চিটফান্ড নিয়ে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদদের চোর বলেছিলেন অধীর। এনিয়ে অধীরবাবুকে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী কিছু বলেছেন কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন ,”সোনিয়া গান্ধি এবিষয়ে আমায় কিছু বলেননি। সবকিছুই গালমন্দ কথা। এনিয়ে কিছু বলব না।” এরপরই নিজের বক্তব্যে অনড় থেকে বলেন, “আমি নিজে জানি, ঠিক কথা বলেছি। আমি একজন জনপ্রতিনিধি। জনসাধারণের কথা বলাই আমার দায়িত্ব। বাংলায় লুট হয়েছে। সেই কথাই আমি সংসদে বলেছি। লাখ লাখ মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছে। অনেক মানুষ আত্মহত্যা করেছে। এখনও বহু এজেন্ট ভয়ে ঘরে ফেরেনি। এনিয়ে সোনিয়া গান্ধি বা রাহুল গান্ধি কেউই আমাকে কথা বলার জন্য নিষেধ করবেন না।”

অন্যদিকে, মৌসম নুরের দলত্যাগ নিয়ে বলেন, “জেতার জন্য কেউ অন্য দলে গেছে। এর ফলে কংগ্রেসের কোনও ক্ষতি হবে না। কংগ্রেসের নেতা,সাংসদ, বিধায়ক সবকিছুই তৈরি করে দলের কর্মীরা। তাই কোনও কর্মী তো দল ছেড়ে যায়নি। মালদায় কংগ্রেস তার পুরোনো জমি আবার ফিরে পাবে।”


শেয়ার করুন
  • 117
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment