দেশ 

জিন্না বির্তক সৃষ্টি করে বিজেপি কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে ফায়দা পেতে চাইছে

শেয়ার করুন
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ অফিসে মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর প্রতিকৃতি রয়েছে ১৯৩৮সাল  থেকে তা নিয়ে এতদিন বির্তক হয়নি।হঠাৎ দেখা গেল,সেই জিন্নাহকে সামনে এনে নতুন করে আর একটা বির্তক বাধাতে চাইছে বিজেপি। কয়েকদিন আগে আরএসএস চিঠি দিয়ে আলিগড় ক্যাম্পাসে শাখা খোলার অনুমতি চায় উপাচা্র্যের কাছ থেকে।সেই বির্তক মিটতে না মিটতেই আবার জিন্নাহ বির্তককে সামনে আনা হল,উদ্দেশ্য একটাই কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে যেসব সমীক্ষা প্রকাশ হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস দল একক গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে। এর নেপথ্যে রয়েছে মুসলিমও দলিত ভোট। সুতরাং বিজেপির সামনে একটাই পথ যেকোন ভাবে ভোট মেরুকরণ তৈরি করা। সেই মেরুকরণের লক্ষেই এখন জিন্নাহ বির্তককে সামনে আনা হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।

মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ গুজরাটের মানুষ ছিলেন। দেশভাগ হওয়ার আগে তিনি এদেশেই বাস করতেন। মুসলিম লীগ করার আগে তিনি জাতীয় কংগ্রেস করেছেন। দেশভাগে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নিঃশ্চয় প্রশ্ন রয়েছে। এটা অস্বীকার করা যাবে না তিনিই পাকিস্থান রাষ্ট্রের জনক। তবে এটাও মানতে হবে অবিভক্ত ভারতের বিশিষ্ট নাগরিক হিসেবে এবং অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মুহাম্মদ আলি জিন্নাহকে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ সম্মান দিয়ে আজীবন সদস্য পদ দিয়েছিল। আর সেই সম্মানের স্মারক স্বরুপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ অফিসের সামনে জিন্নাহ ছবি রয়েছে। শুধু জিন্নাহ নয়,মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে এপিজেএ আবদুল কালামের ছবিও এখানে আছে। এনিয়ে বির্তক আলোচনা-সমালোচনা সবই চলতে পারে কিন্ত তাকে ভোটের ময়দানে ব্যবহার করা ঠিক নয়।এ প্রসঙ্গে প্রাক্তণ উপরাষ্ট্রপতি জনাব হামিদ আনসারির মন্তব্যটি গ্রহণযোগ্য। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ উপাচার্য যথাযথই বলেছেন,এটা ননসেন্স বির্তক।


শেয়ার করুন
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment