কলকাতা 

আরও স্মার্ট হচ্ছে মহানাগরিক ; ১৫৫ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট পেশ করে মেয়রের আশ্বাস বদলাবে কলকাতা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : পরিবেশ রক্ষায় আরো সবুজায়ন ,কর সরলীকরণের মাধ্যমে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি, ১০০ শতাংশ সুসংহত জল সরবরাহ ও মহানগরকে আরো পরিচ্ছন্ন করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আজ ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের জন্য ১৫৫ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার ঘাটতি বাজেট পেশ করলেন  কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। গত অর্থবর্ষের প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দের তুলনায় আগামী অর্থবর্ষের বাজেট বরাদ্দে ঘাটতির পরিমান প্রায় ২৮ কোটি টাকা বেড়েছে। আগামী অর্থবর্ষের জন্য অনুমিত আয় ৩৭৮৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ও অনুমিত ব্যয় ৩৯৩৯ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে। মেয়র হিসেবে প্রথমবার ফিরহাদ হাকিম বাজেট পেশ করলেন। প্রতিটি বিভাগেই গতবছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
জল সরবরাহে ৪০৬ কোটি ৮৯ লক্ষ,কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৬৫৭ কোটি ১৬ লক্ষ, সড়ক নির্মাণে ৩২১ কোটি ৫৯ লক্ষ, আলো ও বিদ্যুতায়নে ১৩৫ কোটি ৩ লক্ষ, উদ্যান ও নগর বনায়নে ৪৮ কোটি ৯৯ লক্ষ, নিকাশিতে ২৭৩ কোটি ৫৮ লক্ষ,স্বাস্থ্যে ১৫৮ কোটি ৮৬ লক্ষ, সমাজ কল্যাণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণে ২২ কোটি ৬০ লক্ষ, বস্তি উন্নয়নে ১৭৮ কোটি ৬৬ লক্ষ, শিক্ষায় ৪৪ কোটি ৫৯ লক্ষ ও বাজারে ৩৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কর থেকে ১০২১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, লাইসেন্স থেকে ৭৩ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা, বিজ্ঞাপন থেকে ২৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা, গাড়ি পার্কিং থেকে ২০ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা, বিল্ডিং থেকে ১৩১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
বাজেট পেশ করে মেয়র বলেন, গত একবছরে শহরে প্রায় ১ লক্ষের কাছাকাছি করদাতার সংখ্যা বেড়েছে। কর সরলীকরণের লক্ষ্যে অতীন ঘোষ ও দেবব্রত মজুমদারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শহরবাসীর মতামত নিয়ে কর কাঠামো নির্ণয় করা হবে।
আগামী দিনে ব্যবসায়ীদের অনলাইনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে, অনলাইনেই লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া হবে। এল ই ডি বা ক্যানভাসেই বিজ্ঞাপন দিতে হবে। দাবিহীন কোন ফাঁকা জমি পড়ে থাকলে তা সবুজায়ন বা আশ্রয়হীন দের জন্য শেল্টার করা যেতে পারে। বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করতে একটি দল তৈরি করা হবে। কলকাতা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই দল কাজ করবে।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment