জেলা 

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বহিস্কার সোনা পাল (ছবিতে বিপ্লব ও সোনা)

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিন দিনাজপুরঃ দল বিরোধী কাজের জন্য দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শুভাশিস পাল ওরফে সোনা পালকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করল জেলা তৃণমূল-কংগ্রেস। মঙ্গলবার বালুরঘাট পৌরসভার সুবর্ণতটে সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ঘোষণা করেন তৃণমূল-কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই বহিষ্কার বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও জেলা নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ শুভাশিস পাল। তিনি বলেন, ‘ তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জীর হাত ধরে দলে এসেছি। তাই কে, কোথা থেকে বহিষ্কার করল তা নিয়ে কোনও মাথাব্যাথা নেই। আমি তৃণমূল দল করি, আর আগামীতেও করব।

হাতে মাত্র আর ১২ দিন। তারপরেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচন যতই সামনে এগিয়ে আসছে তৃণমূলের মধ্যে ততই গোষ্ঠীকোন্দলও প্রকাশ্যে আসছে। তৃণমূলের হয়ে টিকিট না পেয়ে অন্য প্রতীক নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নও দাখিল করেছেন অনেকেই। শুভাসিস পালও এবার টিকিট না পেয়ে তাঁর মা ও দাদাকে কংগ্রেস প্রার্থী করেছেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, কংগ্রেসের হয়ে তিনি নির্বাচনে প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিপ্লবের দাবি, তিনি দলে থাকলে ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।  তার ফলেই দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কথা বলে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। অবশেষে এবিষয়ে শক্ত হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই নির্দেশ মত এদিন সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূল-কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। দল বিরোধী কাজের জন্য হরিরামপুরের তৃণমূল নেতা শুভাশিস পালকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেন তিনি। বিপ্লববাবু জানান, “যারা দল বিরোধী কাজ করছেন, যারা পঞ্চায়েত ভোটে অন্যদের সুবিধা করে দিতে চাইছেন; তাদের আর ক্ষমা করা নয়।”

প্রসঙ্গত, শুভাশিস পাল বিগত পঞ্চায়েত ভোটে হরিরামপুর আসন থেকে জেলা পরিষদের প্রার্থী ছিলেন। জয়ের পর তাকে পূর্তবিভাগের কর্মাধ্যক্ষ করা হয়। জেলা সভাপতির সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ক্রমেই দল থেকে গুরুত্ব হারাতে শুরু করেন শুভাশিস পাল। এমনকি সেইসময়ই শুভাশিস পালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে অভিষেক ব্যানার্জীর হাত ধরে ফের তিনি দলে ফেরেন। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দল আর তাঁকে টিকিট দেয়নি। যার ফলেই দলের প্রতি তিনি ক্ষুব্ধ বলে তাঁর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা গিয়েছে।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment